মায়ানমারে ঢুকেছে অং সাং সুকির মাধ্যমে আর দেশটাতে গৃহযু/দ্ধ শেষ হয় না।
এখনও যারা দেশটিতে গৃহযু/দ্ধ করতেছে, তাদের নেতৃত্বে আছে, নোবেল শান্তি পাওয়া অং সাং সুকির দলের লোকজন।
তিব্বতে দালাইলামা নোবেল পেয়েছে,
ব্যস তিব্বতের বৌদ্ধরা দালাইলামার নেতৃত্বে
চীন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু করেছে,
লেগে গেছে অশান্তি।
ইথোপিয়ার আবিই আহমেদ নোবেল পেয়েছে,
আর সে দেশে গৃহযু/দ্ধ লাগিয়ে দিয়েছে।
বারাক ওবামা নোবেল পেয়েছে অমনি আমেরিকা ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সোমালিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়া, সিরিয়ায় হামলা চালানোর অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ায় জোসে রামোস হোর্তা নোবেল পেয়েছে,
ব্যস, ইন্দোনেশিয়া ভেঙ্গে পূর্ব তীমুর স্বাধীন হয়ে গেছে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের মিখাইল গর্বাচেভ পেয়েছে,
অমনি সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে দিয়েছে।
আবার মুসলিম দেশের স্বাধীকার সংগ্রামের সময় যদি কেউ নোবেল পেয়েছে,
তবে সে মুসলমানদের মুক্তি সংগ্রাম বন্ধ করে দিয়েছে।
যেমন- মিশরের আনোয়ার সাদাত এবং ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত।
এরা নোবেল না পেলে হয়ত এতদিন ফিলিস্তিন নামক রাষ্ট্র স্বাধীন হয়ে যেতো।
মানে শান্তিতে নোবেল মুসলমানদের শান্তির পথ বন্ধ করে অশান্তি স্থায়ী করছে।
এতো গেলো দেশ কেন্দ্রীক অশান্তির কথা।
…
এবার আসি নোবেলের মাধ্যমে পরিবার কেন্দ্রীক অশান্তির কথা।
মানে আপনি যদি পরিবারের মধ্যে অশান্তি ঢুকাতে চান,
তবে সেখানে নারীবাদ ঢুকিয়ে দিন।
এতে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নারী-পুরুষ দ্বন্দ্ব লেগে পরিবারে মধ্যে অশান্তি শুরু হয়ে যাবে।
এজন্য মুসলিম দেশগুলোতে নার্গেস মোহাম্মাদি,
নাদিয়া মুরাদ,
মালালা ইউসুফজাই,
শিরিন এবাদি’র মত নারীবাদীদের শান্তিতে নোবেল দেয়া হয়েছে, যেন তাদের প্রভাবে মুসলিম দেশগুলোর পরিবারে অশান্তি লেগে, তাদের পরিবার সিস্টেম ভেঙ্গে যায়।
এজন্য বাংলাদেশে শান্তিতে নোবেলজয়ী ইউনুস ঢুকেছে মানে,
বাংলাদেশে অশান্তি ঢুকছে ।
এটা আপনি মানেন আর নাই মানেন-
এটাই চিরন্তন সত্য।